18 January- 2021 ।। ৪ঠা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

ঘূর্নিঝড় আম্ফান উপকূলে আঘাত হানতে পারে মঙ্গলবার শেষরাতে, পিরোজপুরে প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২৩১ টি আশ্রয়কেন্দ্র

নিজেস্ব প্রতিবেদক: পিরোজপুরে ঘূর্নিঝড় আম্ফান মোকাবেলায় নানা প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন।জেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র।ঘূর্ণিঝড় আম্ফান বর্তমানে পশ্চিম মধ্য ও দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে।

এটি বর্তমান অবস্থান থেকে আরও ঘনীভূত হয়ে দিক পরিবর্তন করে মঙ্গলবার শেষরাত থেকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে পারে। এমনটা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।এটি খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে অতিক্রম করতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত চট্টগ্রাম,কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরে চার নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেতই বহাল রয়েছে।উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থান করা মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান এর প্রস্তুতি হিসেবে পিরোজপুরের ৭টি উপজেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ২৩১টি আশ্রয়কেন্দ্র। এসব আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে ২ লক্ষ ৩২ হাজার ২৫০ জন মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে। তবে বর্তমানে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন থাকায় জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে। যাতে করে মানুষ শারিরীক দূরত্ব বজায় রেখে সেখানে অবস্থান করতে পারে। সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংক্ষিপ্ত সভায় এ তথ্য জানানো হয়।এছাড়া দুর্যোগের কারনে আহত মানুষদের স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের জন্য প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন। তবে অবস্থা বুঝে মেডিকেল টিমের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে বলেও জানান তিনি। ঘূর্ণিঝড়ে জেলার সাতটি উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে পিরোজপুর সদর, মঠবাড়িয়া, ভান্ডারিয়া ও ইন্দুরকানি উপজেলা।তবে সোমবার দুপুর পর্যন্ত পিরোজপুরে ঘূর্ণিঝড়ের কোন প্রভাব লক্ষ করা যায়নি।



এ বিভাগের আরও সংবাদ


সংবাদ শিরোনামঃ